Monday, 26 July 2010

রিমান্ড ক্রসফায়ারসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ১৪৮ অভিযোগ কমিশনে

স্টাফ রিপোর্টার
গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ১৪৮টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে। পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এখতিয়ারবহির্ভূত কাজ ও বাড়াবাড়ি নিয়েই বেশিরভাগ অভিযোগ। এর মধ্যে রয়েছে ক্রসফায়ারে হত্যা, পুলিশ-র্যাব কর্তৃক রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন, আদালতের ওয়ারেন্ট ছাড়া অবৈধ আটক, বিচারবহির্ভূত হত্যা, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতন, অমানবিক শাস্তি, জীবনের নিরাপত্তা না থাকা ইত্যাদি। মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কিত এসব অভিযোগ সম্পর্কে কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান উদ্বেগ প্রকাশ করে আমার দেশকে বলেন, কোনো সভ্য সমাজে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটা উচিত নয় এবং এটা চলতে দেয়া যায় না। আইন অনুযায়ী মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনাই সমর্থযোগ্য নয়। একটি গণতান্ত্রিক দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনক। কোনো নাগরিক অপরাধী হলেও তার বিচারের দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগ কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিতে পারে না। বিচারের দায়িত্ব হচ্ছে বিচার বিভাগের। দায়েরকৃত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে তদন্ত ও অনুসন্ধান শেষে আইন অনুযায়ী কমিশনের নিজস্ব এখতিয়ার অনুযায়ী অভিযুক্তদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা ও বিভিন্ন দাতা সংস্থার চাপে ২০০৮ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়। সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরীকে এ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রয়োজনীয়সংখ্যক লোকবলের অভাবে এ কমিশনের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়নি। বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরীর অবসর গ্রহণের পর কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে নিয়োগ দেয়া হয়। একইসঙ্গে কমিশনকেও পুনর্গঠন করা হয়।
কমিশন সূত্র জানিয়েছে, এ পর্যন্ত দায়ের করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ১৪৮টি অভিযোগের মধ্যে পুলিশ ও র্যাব কর্তৃক নির্যাতনের অভিযোগ ১৫টি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে অবৈধভাবে আটকের অভিযোগ ৮টি, নিখোঁজ সম্পর্কিত অভিযোগ ৬টি, জীবনের নিরাপত্তা সম্পর্কিত অভিযোগ ২৬টি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক অবস্থায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত অভিযোগ ৬টি, অমানবিক শাস্তি সম্পর্কিত অভিযোগ ৪টি। এছাড়া চাকরি সম্পর্কি অভিযোগ ২১টি, সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কিত অভিযোগ রয়েছে ১৬টি, শিশু অধিকার সম্পর্কিত অভিযোগ রয়েছে ৩টি এবং বিবিধ ২৩টি অভিযোগ। খ্রিস্টিয়ান ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের (সিডিএ) নির্বাহী পরিচালক উইলিয়াম নিকলাস গমেজ স্বাক্ষরিত কমিশনে দায়ের করা একটি অভিযোগপত্রে বিচারবহির্ভূত একটি হত্যাকাণ্ডের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী কলেজের ছাত্র হাফিজুর রহমান শাহীন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার চৈতন্যপুর গ্রামে মফিজুল ইসলামের বাড়িতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। বিচারবহির্ভূত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের দাবি জানানো হয়েছে আবেদনে। আবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুলিশের মাধ্যমে এ ঘটনার তদন্ত হলে তদন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। এ ধরনের অভিযোগ অন্য আবেদনগুলোতেও। আবেদনকারীরা মানবাধিকার কমিশনের কাছে এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়েছেন। তারা র্যাব-পুলিশের হাতে নির্যাতনের বিবরণ নিয়ে বেশকিছু অভিযোগও করেছেন। উল্লেখ্য, মানবাধিকার কমিশনে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে প্রকৃত ঘটনার সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি। ছোটখাটো ঘটনায়ও অনেক রাজনীতিবিদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সমিতি সংবাদ সম্মেলনে পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছে, গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬ মাসে সারাদেশে ৮৪ জন গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৬ মাসে ৬১ জন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। একই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় ৯ আসামির মৃত্যু হয়েছে। ২ জন সাংবাদিক নিহত, ৫২ জন আহত ও ৩৫ জন হুমকির শিকার হয়েছেন।
কমিশনের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, পরামর্শকের তৈরি করা অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এ কমিশনের লোকবল প্রয়োজন ১২৮ জন। অর্থ মন্ত্রণালয় তা কাটছাঁট করে ২৮ জনের নিয়োগ অনুমোদন করেছে। বর্তমানে তদন্ত ও অনুসন্ধান করার মতো কমিশনে লোকবল ৪/৫ জনের বেশি নেই। কাজেই অভিযোগগুলোর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী আমরা কিছু তদন্ত করছি। বাকিগুলো কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত ও অনুসন্ধান করছে। অনুসন্ধান শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হবে। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হবে। কমিশনের আইনেই কমিশনকে এ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে আমাদের লোকবলের সঙ্কট রয়েছে। এছাড়াও বাজেটও একটি বড় বিষয়। আমাদের এগুলোর দিকে তাকালে চলবে না। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন একটি শক্তিশালী আইন। এ আইনে কমিশনকে অনেক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমরা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে কমিশনের দায়দায়িত্বও অনেক।
দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে ড. মিজানুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, রিমান্ডে আসামির ওপর নির্যাতন, আসামিকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির না করা ও গুপ্তহত্যাসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনাই সমর্থনযোগ্য নয়। এগুলো দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। আমরা জেনেশুনে দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যেতে দিতে পারি না। কমিশনের পক্ষ থেকে আমরা এসব বিষয় নিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক ও পুলিশের ঢাকা মহানগর কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের উদ্বেগের কথা তাদের জানিয়েছি। তিনি বলেন, মামলার প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোনো আসামিকে পুলিশ রিমান্ডে নেবে। আইন মেনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আবার তাকে আদালতের কাছে সোপর্দ করবে। বিচারের দায়িত্ব হচ্ছে বিচার বিভাগের। কোনো আসামির বিচারের দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নয়। বাংলাদেশ নির্যাতনবিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে সব নাগরিকের মৌলিক ও মানবাধিকার সংরক্ষণ করবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ হচ্ছে আইনের প্রয়োগ করা। তাদের হাতেই যদি আইনের লঙ্ঘন হয় কিংবা কোনো নাগরিকের অধিকার খর্ব হয়, তাহলে সেটা হবে বড়ই দুর্ভাগ্যজনক। একজন নাগরিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন। এটা দেখে তার বিপরীত মতের অন্য নাগরিকের খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। কেননা এর শিকার তিনিও একদিন হতে পারেন। কাজেই প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার সংরক্ষণে সবারই সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আদিলুর রহমান খান আমার দেশকে বলেন, মানবাধিকার কমিশনে যে অভিযোগগুলো এসেছে, তার বাইরেও প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। নারী নির্যাতনের ঘটনা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটকের পর হত্যা, গুপ্তহত্যা, রিমান্ডে নির্যাতনের ঘটনা অনেক বেড়েছে। কোনো গণতান্ত্রিক দেশের জন্য এ ধরনের ঘটনা বিপজ্জনক। এ ধরনের ঘটনা থেকে নাগরিকদের মুক্ত রাখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র সঠিক দায়িত্ব পালন করলে সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/07/27/36375

যুদ্ধাপরাধ বিচারে নিরপেক্ষতা ও আন্তর্জাতিক মান চায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য

কূটনৈতিক প্রতিবেদক | Prothom Alo ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০১০, ১২ শ্রাবণ ১৪১৭, ১৪ শাবান ১৪৩১

আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে যুদ্ধাপরাধের বিচারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। এই বিচার-প্রক্রিয়ার সঙ্গে রাজনীতিকে না জড়াতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গতকাল সোমবার ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর ওই দুই দূতাবাসের পক্ষ থেকে ওই মন্তব্য করা হয়েছে।
মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বলেন, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা যাতে ন্যায়বিচার ও আইনি সুরক্ষা পান, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিচার-প্রক্রিয়া যাতে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়, সেটাও দেখতে হবে।
মার্কিন মুখপাত্র আরও বলেন, ‘বিচার-প্রক্রিয়াকে কোনোভাবেই রাজনীতির সঙ্গে জড়ানো উচিত হবে না। যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার বিষয়টি খুব জরুরি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে সেটা আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’
এ ব্যাপারে যুক্তরাজ্য তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, যুদ্ধাপরাধের বিচারে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হচ্ছে কি না সেটা খুব জরুরি।
‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে বাংলাদেশ সরকার এবং এ দেশের জনগণের যে প্রত্যয় রয়েছে, সেটা আমরা বুঝতে পারি’—মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক মুখপাত্র।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই (যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে) যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।’

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-07-27/news/82011


যুদ্ধাপরাধ বিচারে নিরপেক্ষতা ও আন্তর্জাতিক মান চায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
কূটনৈতিক রিপোর্টার
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। একইসঙ্গে তারা এ বিচারে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং এটাকে রাজনীতিকরণ না করার তাগিদ দিয়েছে।
গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কাজ শুরু হওয়ার পর ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ও ব্রিটিশ হাইকমিশন তাদের সরকারের এ মনোভাবের কথা জানায়।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের একজন মুখপাত্র জানান, অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও গ্রেফতার হওয়া যে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ভালো আচরণ করার পাশাপাশি তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া উচিত। এছাড়া এ বিচার রাজনৈতিকভাবে না হয়ে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী স্বচ্ছতা ও যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া উচিত।
এদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের একজন মুখপাত্র জানান, যুদ্ধাপরাধের বিচারে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের মনোভাব সম্পর্কে যুক্তরাজ্য অবগত। তবে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার ও বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানের দেখতে চায়।
প্রসঙ্গত, এর আগে ১৪ জুলাই আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রী অ্যালান ডানকান বাংলাদেশ সফরে এসে বলেছিলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সংঘটিত অপরাধের বিচার করা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এ বিচার রাজনৈতিকভাবে নয়, সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া উচিত।

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/07/27/36388

Saturday, 24 July 2010

১২ দিনেও খোঁজ নেই মুর্তজার : গুম-হত্যার আশঙ্কা বাবা-মার

নাছির উদ্দিন শোয়েব
ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলমের পর এবার ১২ দিন ধরে নিখোঁজ শিবির নেতা গোলাম মুর্তজা (৩০)। দু’জনের নিখোঁজ হওয়ার ধরন প্রায় একই। চৌধুরী আলমকে পুলিশ পরিচয়ে এক মাস আগে আটক করা হয় ইন্দিরা রোড থেকে। এখন পর্যন্ত তার খোঁজ নেই। অন্যদিকে মুর্তজাকেও ডিবি পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে আটক করে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর থেকে। তারও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। মুর্তজা বেঁচে আছে, নাকি মারা গেছে জানে না পরিবার। ডিবি পুলিশ পরিচয়ে গত ১৪ জুলাই আটক করে মাইক্রোবাসে নিয়ে যায় সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা। প্রিয় ছেলের সন্ধান না পেয়ে গুম, হত্যার আশঙ্কায় মুর্তজার বাবা-মার ঘুম নেই। তার ফেরার অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছে উদ্বিগ্ন পরিবারটি। আত্মীয়স্বজনরা ডিবি, সিআইডি, র্যাব ও ধানমন্ডি থানায় গিয়ে খোঁজ করেছেন। কেউ সন্ধান দিতে পারেনি। কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে? কোথায় রাখা হয়েছে তারা জানতে চান। এ ব্যাপারে আত্মীয়স্বজনরা হাইকোর্টে রিটও করেছেন। আদালত স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশকে এক সপ্তাহের মধ্যে মুর্তজাকে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দেন। কিন্তু এখনও কোনো সংস্থা মুর্তজাকে আটক করার কথা স্বীকার করেনি।
মুর্তজার বাবা-মা ছেলের চিন্তায় ব্যাকুল। মুর্তজা বেঁচে আছে কিনা জানেন না। বেঁচে থাকলে কেন তাকে আদালতে হাজির করা হচ্ছে না। ছেলের খোঁজে বাবা আবদুল লতিফ ও মা গুলনাহার রাজশাহী থেকে ঢাকা এসে বিভিন্ন স্থানে খুঁজছেন। উপায়ন্তর না দেখে গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারা বলেন, আমাদের ছেলের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো অভিযোগ নেই। কোনো থানায় মামলা নেই। তাকে কী কারণে আটক করা হলো? কারা আটক করছে আমরা কিছুই জানি না। সে কোনো অপরাধ করে থাকলে আইনের হাতে তুলে দেয়া হোক।
যেভাবে আটক হয় : গত ১৪ জুলাই সন্ধ্যায় গোলাম মুর্তজা তার বন্ধু আবদুল্লাহ সাবিতকে নিয়ে পুরানা পল্টন থেকে মোটরসাইকেলে কলাবাগান যাচ্ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তারা রবীন্দ্র সরোবরে মাগরিবের নামাজ পড়ে। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে ওঠার সময় সাদা পোশাকধারী ৬/৭ জন লোক মুর্তজাকে ঘিরে ধরে। তারা টানাহেঁচড়া করে মুর্তজাকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে। সাবিত ওই ব্যক্তিদের পরিচয় জানার চেষ্টা করলে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয়। একপর্যায়ে মাইক্রোবাসটি আবাহনী মাঠের দিকে চলে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী সাবিত জানান, মুর্তজাকে তুলে নেয়া মাইক্রোবাসের পেছনে ‘ডিবি’ লেখা ছিল। সে গাড়িটির নম্বর দেখার জন্য মোটরসাইকেলে পিছু নেয়। সাবিত পেছনে ছুটতে থাকলে একপর্যায়ে মাইক্রোবাস থামিয়ে অস্ত্রধারী দু’জন লোক ধাওয়া করে সাবিতকে। সাবিত জানায়, ভয়ে সে আর সামনে এগোয়নি।
থানায় জিডি নেয়নি : মুর্তজার বড় ভাই প্রভাষক আবু কাউছার মোঃ শামসুজ্জামান জানান, ভাইয়ের সন্ধানে পরের দিন তিনি ঢাকায় আসেন। বিকালে ধানমন্ডি থানায় এ বিষয়ে একটি জিডি করতে গেলে ডিউটি অফিসার জিডি নেয়নি। ওসি টেলিফোনে শামসুজ্জামানকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। তিনি বলেন, ওসি হুমকি দিয়ে বলে তোর ভাই কী করে? তুই কী করোস? শালা তোরা সন্ত্রাসী, ক্যাডার। শামসুজ্জামান আরও বলেন, ওসি জিডি গ্রহণ না করে উল্টো তাকে আটক করার হুমকি দেয়। তিনি একঘণ্টা থানার বারান্দায় ঘুরাঘুরি করেন। পরে আটক হওয়ার ভয়ে থানা থেকে চলে আসেন। তিনি বলেন, আমার ভাইকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে কারা অপহরণ করে নিল এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ পর্যন্ত দিতে পারলাম না। তিনি বলেন, থানায় এ বিষয়ে কোনো কথাই বলতে দিল না পুলিশ।
সঠিক তথ্য দেয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী : মুর্তজার আরেক বন্ধু আলমগীর হোসাইন বলেন, ঘটনার পরদিন ১৫ জুলাই তিনি মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের সামনে মুর্তজাকে খুঁজতে যান। ডিউটি অফিসারের কাছে মুর্তজা নামে কাউকে আটক হয়েছে কিনা জানতে চাইলে ওই পুলিশ সদস্য ফোনে ডিবির এক কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান। পরে ডিউটি অফিসার বলেন, আপনি যাকে খুঁজছেন তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আলমগীর দ্রুত আদালতে যান। সেখানে গিয়ে খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারেন এই নামে কাউকে সেদিন আদালতে পাঠানো হয়নি। আলমগীর সন্ধ্যায় আবার ডিবি কার্যালয়ে ফিরে গিয়ে বলেন, আদালতে তো মুর্তজাকে পাঠানো হয়নি। ডিবির ডিউটি অফিসার এবার তাকে জানায়, এ নামে কাউকে আটক করা হয়নি এবং ভেতরে এমন কেউ নেই। হতাশ হয়ে ফিরে আসেন তিনি। আলমগীর বলেন, এরপর উত্তরা র্যাব-১, সিআইডি ও এসবিতে গিয়ে খোঁজা হয়। কিন্তু কেউ সন্ধান দিতে পারেনি।
উদ্বিগ্ন স্বজনরা : মুর্তজার বাবা-মা বলেন, ১২ দিন পার হলেও তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। অথচ নিয়ম অনুযায়ী যে কাউকে গ্রেফতার করা হলে কোর্টে হাজির করা হয়। কিন্তু সেটিও করা হয়নি, যা মানবাধিকারের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। আমরা তার বর্তমান অবস্থা নিয়ে খুবই শঙ্কার মধ্যে আছি। তিনি বলেন, মুর্তজা কোনো অপরাধ করেনি। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলাও নেই এবং সাদা পোশাকধারী যারা গ্রেফতার করেছে তারা গ্রেফতারি পরোয়ানা পর্যন্ত দেখায়নি। তাকে রাস্তা থেকে হঠাত্ করে জাপটে ধরে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয় তার সন্ধান চাওয়ার পরও কোনো গোয়েন্দা বাহিনী কিছু জানাতে পারেনি। একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তাকে কী অবস্থায় রাখা হয়েছে, তার সন্ধান দেয়া সাংবিধানিক নাগরিক অধিকার, যা থেকে তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়ার পরও কোর্টে কিংবা জনসম্মুখে এখনও তাকে হাজির করা হয়নি। তাই অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, গোলাম মুর্তজাকে কোথায় কীভাবে রাখা হয়েছে, তার বর্তমান অবস্থা কী সে সম্পর্কে জানানোর জন্য বা তাকে কোর্টে হাজির করার জন্য। তারা আরও বলেন, মুর্তজা একজন মেধাবী ছাত্র। রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ২০০৭ সালে মাস্টার্স পাস করে গ্রামের বাড়ি বামনদীঘি, চারঘাট, রাজশাহী থেকে ২০০৮ সালে ঢাকায় এসে এলএলবিতে ভর্তি হয়েছিল। ঢাকায় চাকরি খুঁজছিল। পাশাপাশি শিবিরের কার্যকরী পরিষদের সাংস্কৃতিক ও সমাজকল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিল। সে থাকত ধানমন্ডির ৯১/এ, বশিরউদ্দিন রোড কলাবাগানে।
প্রশাসনকে আদালতের নির্দেশ : নিখোঁজ গোলাম মুর্তজাকে ৭ দিনের মধ্যে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তাকে কেন আইন অনুযায়ী আটক করা হয়নি এর ব্যাখ্যাও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে। গত ১৮ জুলাই মুর্তজার ভাই শামসুজ্জামান হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস রিট দায়ের করলে আদালত এই আদেশ দেয়। একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, র্যাব ডিজি, ডিসি ডিবি, ঢাকার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ও ঢাকার সিএমএমকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মোঃ আবদুল ওয়াহাব মিঞা ও বিচারপতি কাজী রাজা-উল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গতকাল মুর্তজার মা গুলনাহার বলেন, আদালতের নির্দেশের পরও ৫ দিন পার হলো। এখন পর্যন্ত আমরা কিছু জানি না। এ ব্যাপারে ডিবির ডিসি মনিরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার জন্য গতকাল সন্ধ্যায় তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/07/25/36013

Thursday, 22 July 2010

Democracy Crisis in Bangladesh



WASHINGTON, July 22 /PRNewswire-USNewswire/ -- A coalition of faith leaders and human right activists (The Coalition for Freedom and Democracy in Bangladesh) is calling upon members of congress and the state department to express their disapproval of the series of arrests and political crackdown against the political opposition to the Awami League (AL), the ruling political party in Bangladesh. The AL came to power in December 2008 after two years of military rule. Bangladesh often referred to as a moderate "democratic developing" country is the home of ten percent of the world Muslim population.

This coalition is concerned that the current Awami League government is suppressing free speech and the right of dissent in that nation. Over the last eighteen months, the AL has closed down newspapers and a television station, neutered an independent judiciary, and unjustly arrested many opposition leaders and students. On June 29th, 2010, the Secretary General and Deputy Secretary General of the Bangladesh Jamat Islami (BJI), the largest democratic Islamic party and part of the political opposition, were arrested on what many human rights groups have categorized as frivolous charges.

A member of the coalition, Reverend Grayland Hagler, stated that "our government must not betray the values of democracy and open governance for the people of Bangladesh. The support for autocratic regime betrays our values as Americans and citizens of the world. As people of faith we must be advocates for global justice."

Also, the American Muslim Task Force for Civil Rights and Elections, a national Muslim umbrella organization, expressed concern that these crackdowns both jeopardize the rule of law in Bangladesh and increase the volatility that already exist in the region.

A Bengali dissent living in Washington D.C. area, who asks not to be identified by name for fear of family reprisal, said that "If a great country like America continues to support this government's repressive policies, it will alienate the majority of the Bangladeshi people who embrace pluralism, democracy and political change through peaceful means."

The coalition describes itself as a human rights and democracy advocacy campaign for the people of Bangladesh, and stated that the primary goal of the campaign is to call the American people and government to adopt new policies in support of democracy and human rights in Bangladesh. The group also calls on the United Nations Human Rights Council to launch an investigation into human right abuses in that nation.

SOURCE The Coalition for Freedom and Democracy in Bangladesh

http://www.prnewswire.com/news-releases/democracy-crisis-in-bangladesh-99015424.html

http://news. yahoo.com/ s/usnw/20100722/ pl_usnw/DC38904

http://boston. bizjournals. com/prnewswire/ press_releases/ Bangladesh/ 2010/07/22/ DC38904

http://newsblaze. com/story/ 2010072207020200 001.pnw/topstory .html

http://boston. bizjournals. com/prnewswire/ press_releases/ Bangladesh/ 2010/07/22/ DC38904

http://www.sunheral d.com/2010/ 07/22/2350022/ democracy- crisis-in- bangladesh. html

http://www.forbes. com/feeds/ prnewswire/ 2010/07/22/ prnewswire201007 221001PR_ NEWS_USPR_ ____DC38904. html

http://www.foxbusin ess.com/story/ democracy- crisis-banglades h/

http://americanidol izing.com/ gossip/Democracy -Crisis-in- Bangladesh- 5087527.html

http://www.sacbee. com/2010/ 07/22/2907767/ democracy- crisis-in- bangladesh. html

http://uspolitics. einnews.com/ article.php? nid=895925

http://classic. cnbc.com/ id/38360850

http://www.thestree t.com/story/ 10814263/ 1/democracy- crisis-in- bangladesh. html

http://1click. indiatimes. com/article/ 005g6Y46I88wO? q=Bangladesh

Muslim, Interfaith and Human Right Leaders Concerned About Crisis of Democracy in Bangladesh

July 20, 2010

Filed under: From the Desk of Imam Mahdi Bray — Imam Mahdi Bray @ 4:21 pm

The current crackdown on political opposition, students, journalists and academicians by the ruling party (Awami League) in Bangladesh is receiving very little attention from the media and the United States Government. Yet its potentials for increasing destabilization in an already volatile religion could be devastating. Check out the piece below. Imam Mahdi Bray

Current Crackdown on Opposition Could Further Destabilize the Region

National Muslim organizations, interfaith leaders and human right activists in the United States are concerned that the recent arrest of key leaders of the Islamic Movement in Bangladesh (Jamaat-e-Islami), student activists, journalists and members of the political opposition have created a huge crisis in the nation. These actions by the Bangladesh ruling party coalition (Awami League) might well result in violent confrontations between political dissidents and the government. There is also concern that the current U.S. government support for AL may actually reinforce, and protect, ongoing human rights violations that contradict the stated objectives of American foreign policy in this volatile region.

Many human rights experts also contend that these arrests and human rights violations are often carried out under the pretext of a Bangladesh government response to “terrorism”.

These arrests come at a time when AL is being accused of acts of extrajudicial killings, arrests, rape, and even the torture of the members of the Islamic opposition party which holds some 17 seats in the national legislature, and commands a following of some 12 million people in Bangladesh, according to the Christian Science Monitor, Amnesty International, Human Rights Watch and the US State Department’s Human Rights Report on Bangladesh.

The national Muslim umbrella organization, the American Muslim Task Force on Civil Rights and Elections (AMT) under the leadership of Dr. Agha Saeed, has expressed grave concern over the human rights conditions in Bangladesh. American Muslim leaders have also expressed that the current government’s descent into authoritarianism, oppression of religious elements: dismantling freedoms, violating human rights and ending practices that promote transparency could be exploited by extremist movements that, unlike Jamaat-e-Islami, BNP and other opposition groups, do not advocate peaceful means for social change in Bangladesh.

There is also concern that the current crackdown and arrest of Jamaat-e-Islami leaders, including the head of the Jamaat, Hajj Moitur Rahman Nizami, is meant to coincide with the start of a national tribunal investigating war crimes committed in 1971. That was when Bangladesh, formerly known as East Pakistan, broke away from West Pakistan to establish an autonomous, predominantly Bengali republic. While the Awami League indicts the Islamic movement for complicity in the killings of civilians in this period of turmoil, other reliable sources contend that these acts of violence were carried out by other Bengalis who sided with the then-West Pakistan army.

Also, the current crackdown jeopardizes the rule of law, and the social and legal space that nonviolent opponents of the current Bangladeshi government. While the Jamaat-e-Islami functions as a peaceful political opposition force in the country, some observers recognize the potential for mass violence in Bangladesh if the Awami League, and its political allies, continue their attack on Islamic opposition figures, trade unionists, intellectuals, and others dissidents.

An interfaith and human rights coalition is currently preparing to visit U.S. State Department officials and members of Congress to express its concerns about these events, and about current United States foreign policy in the region. We believe that US support for the current regime and its policy will only impede efforts for nonviolent political change in Bangladesh, and potentially isolate America from progressive, nonviolent forces in that nation who now suffer from government repression.

http://mahdibray.net/2010/07/20/muslim-interfaith-and-human-right-leaders-concerned-about-crisis-of-democracy-in-bangladesh/

মুজাহিদ, সাঈদী, কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লা আলাদা মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-০৭-২০১০

আদালত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লাকে পৃথক মামলায় তিন দিন করে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন। আজ সোমবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রিমান্ড শেষে পৃথক মামলায় এই চার নেতাকে মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ: আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে গোপন বৈঠকের মামলায় তিন দিন রিমান্ড শেষে মহানগর হাকিম কামরুন নাহার রুমির আদালতে হাজির করা হয়। এ মামলায় নতুন করে রিমান্ড না থাকায় আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে একই আদালতে উত্তরা ষড়যন্ত্রের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পাঁচ দিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (ডিবি)। মুজাহিদের আইনজীবীদের জামিন আবেদন নাকচ করে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী: দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে লেখক হুমায়ুন আজাদকে হত্যাচেষ্টা মামলায় মহানগর হাকিম তোফায়েল হাসানের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে সিআইডি। এ মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লা: কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লাকে রাজধানীর পল্লবীতে গণহত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে সিআইডি। এ মামলায় নতুন করে রিমান্ড না থাকায় আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরে পল্টন থানার পুলিশ রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করে। মহানগর হাকিম আব্দুল মজিদ তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ মামলার রিমান্ড বাতিল করে জামিন চেয়ে আসামিদের আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক আদালতকে বলেন, টানা পাঁচ দিন রিমান্ডে থাকায় আসামিরা অসুস্থ। তিনি আসামিদের কারাগারে না পাঠিয়ে চিকিত্সার আবেদন করেন।
কামারুজ্জামান আদালতকে বলেন, রিমান্ডে নিয়ে আমাকে যা করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার নয়। আদালতে তিনি অসুস্থ বলে দাবি করেন। আবার রিমান্ডে দিলে তিনি জীবন্ত ফিরবেন কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-07-19/news/79969

Sunday, 18 July 2010

অধিকার-এর রিপোর্ট : নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছেই

ইলিয়াস খান
দেশের নিরাপত্তা হেফাজতে এখন মৃত্যুর ঘটনা ঘটেই চলেছে। মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ছয় মাসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে নিহত ৬১ জনের মধ্যে ১৩ জন মারা গেছেন নিরাপত্তা হেফাজতে থাকাকালে। এছাড়া অর্থের জন্য সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ভূমি দখল, লুটপাট, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির ঘটনার সঙ্গে র্যাব-পুলিশের সদস্যরা জড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে বলে মানবাধিকার সংগঠন প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। এতে সারাদেশে মারাত্মক ইমেজ সঙ্কটে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মানবাধিকার সংগঠন অধিকার জানিয়েছে, গত ছয় মাসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ৬১ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে র্যাবের হাতে ২৯ জন, পুলিশের হাতে ২৫ জন এবং র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪ জন মারা যান। এই ৬১ জনের মধ্যে ১৩ জন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে থাকাকালে মারা গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ক্রসফায়ারে ৫২ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে র্যাবের হাতে ২৭ জন, পুলিশের হাতে ১৮ জন, র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪ জন এবং ৩ জন র্যাব- কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে নিহত হয়েছেন। এসময় মোট ১২ জন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নির্যাতনে নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে র্যাব হেফাজতে ২ জন এবং পুলিশের নির্যাতনে ১০ জন নিহত হয়েছেন। গত ৬ মাসে জেলহাজতেও ৩৮ জন মারা যান। এদের মধ্যে ২ জন মারা যান কোর্ট হাজতে এবং ২ জন র্যাব হেফাজতে। একটি মানবাধিকার সংগঠনের তথ্যানুযায়ী, এ সরকারের গত ৬ মাসে ৬৬ জন এবং গত ১৭ মাসে ১৩৭ জনকে র্যাব-পুলিশ হত্যা করেছে। রাজধানীতেও সম্প্রতি ৩ জনকে ধরে নিয়ে পুলিশ হত্যা করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ায় দেশের মানুষের জীবন ও সম্পদ বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে গত দেড় বছরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দেশব্যাপী সংঘর্ষ ও সহিংসতা ঘটালেও পুলিশ-র্যাব নীরব ভূমিকা পালন করে। উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও আটকের খবর তেমন পাওয়া যায় না।
অভিযোগ আছে যে, সম্প্রতি রাজধানীর দারুস সালাম এলাকায় শিশুপুত্রের সামনেই মজিবর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে আটক করে পুলিশ। পরদিন তার লাশ তুরাগ নদীতে পাওয়া যায়। এর আগে গুলশানের বাসা থেকে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে (৪২) আটক করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, থানা হেফাজতে দু’দিন রাখার পর ঘুষ না দেয়ায় পুলিশ তাকে হত্যা করেছে। অন্যদিকে ছিনতাইকালে পুলিশের হাতে তিনি নিহত হন বলে দাবি করেছে গুলশান থানা পুলিশ। এছাড়া রমনা থানা হেফাজতে অটোরিকশা চালক বাবুল গাজী (৪০) নিহত হন। তার স্ত্রী সুভা আক্তার অভিযোগ করেন, ঘুষ না পেয়ে থানার এক এসআই তাকে পিটিয়ে মেরেছে। এর আগে গত ৯ মার্চ রমনা থানায় গাড়ি চুরির মামলায় আটক জাকির হোসেন (৪৫) মারা যান।
শুধু হত্যাকাণ্ডই নয়, আরও নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে র্যাব-পুলিশ। গত ১৯ ডিসেম্বর ৩টি চোরাই গাড়িসহ পুলিশের সিলেট ডিআইজি অফিসের হাবিলদার তাজুল ইসলামকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি নজরুল ইসলাম নাম ব্যবহার করে নিজেকে সার্জেন্ট পরিচয় দিয়ে চোরাই গাড়ি বিক্রি করতেন। এর আগে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ১৬ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সময় আদাবর থানার এএসআই মাইনুল হক গ্রেফতার হন। তার সঙ্গে থাকা অন্য দুই পুলিশ সদস্য পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন রাজধানীর কোতোয়ালি থানার এসআই রওশন জামান ও ঢাকা ডিবির কনস্টেবল সাজু। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর মতিঝিলে পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পৌনে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই হয়। দুপুর ২টার দিকে মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে শত শত পথচারীর সামনে এ ঘটনা ঘটে। বাড্ডা থানার এসআই তানভীর আহম্মদ ও এএসআই মিজান গত ১১ নভেম্বর রাতে গফুর হাওলাদার নামে এক মুক্তিযোদ্ধাকে তার বাসা থেকে ধরে নিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে পাঁচ হাজার টাকা আদায় করে ছেড়ে দেন। পরে তিনি এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দফতরের সিকিউরিটি সেলে লিখিত অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা গফুর হাওলাদারের ছেলে রাসেলকে ধরে থানায় নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালায়। গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর দারুস সালাম থানার এসআই হেকমত আলী স্থানীয় ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানকে তার বাসা থেকে ধরে দু’লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেয়ায় তাকে একটি হত্যা মামলায় পরদিন আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। পরে মেহেদির স্ত্রী নার্গিস এসআই হেকমত আলী ও ওসি মোস্তাক আহম্মেদকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে তার স্বামীকে পুলিশের হয়রানি থেকে রক্ষা করেন।
র্যাব-পুলিশ কর্তৃক আটকের পর নিখোঁজ বা গুপ্তহত্যা নিয়ে সারাদেশের সর্বমহলে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে আটকের পর অনেকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না এবং পরে কারও কারও লাশ উদ্ধার হচ্ছে। ভিকটিমদের পরিবারগুলো দাবি করেছে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই তাদের আটক করে নিয়ে গেছে। পরে অনেকের লাশও উদ্ধার হয়েছে। বিএনপি নেতা চৌধুরী আলম র্যাব কর্তৃক গত ২৫ জুন আটকের পর হতে নিখোঁজ রয়েছেন। তার পরিবার থেকে সরকারসহ নানা মহলে যোগাযোগ করেও কোনো খবর আজও পাওয়া যায়নি। গত ২৭ এপ্রিল মিজানুর রহমান সুমন নামের এক ব্যবসায়ীকে সাদা পোশাকধারী র্যাব সদস্যরা গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে আসে। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। সুমনের স্ত্রী সুরভী আক্তার গত ৩০ এপ্রিল ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, র্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে র্যাব কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও সুমনের কোনো হদিস পাননি তারা। গত ১৯ মার্চ র্যাব-৫-এর সদস্যরা ঠাকুরগাঁও সালন্দার নওলাপাড়ার কাঠ ব্যবসায়ী মো. আকবর আলী সরদার (২৮) এবং একই গ্রামের বিপিন চন্দ্র সরকারকে (৩৬) সালন্দার বিশ্ব ইসলামী মিশন মসজিদের সামনের রাস্তা থেকে আটক করে নিয়ে যায়। ২০ মার্চ বিপিন সরকারকে র্যাব ছেড়ে দিলেও আকবরের কোনো খোঁজ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আকবরের পরিবারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও থানায় জিডি বা মামলা করতে চাইলে থানা পুলিশ এর কোনোটাই গ্রহণ করেনি। পরে আকবরের পরিবার ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে র্যাব-৫-এর কাছে আকবরের খোঁজ করলে তারা আকবরের আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি র্যাব সদস্য পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি গাজীপুরের কাপাসিয়ার ফল বিক্রেতা মো. সেলিমকে ধরে নিয়ে যায়। তার পরিবারের অভিযোগ, র্যাব-৪-এর একটি দল সেলিমকে তার দু’বন্ধু মইনুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীসহ গ্রেফতার করে। মইনুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতারের বিষয়টি র্যাব-৪ স্বীকার করলেও মো. সেলিমের কথা অস্বীকার করে। র্যাব মইনুল ইসলামকে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন মানিকদী এলাকার ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় সোপর্দ করে এবং মোহাম্মদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু ঘটনার পর থেকে সেলিম নিখোঁজ রয়েছেন।
পুলিশ হেফাজতে অব্যাহতভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছেই। প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায়ই নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুলিশ তাদের হত্যা করেছে। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই তা পুলিশ অস্বীকার করে আসছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার একেএম শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেছেন, পত্রিকায় যা লেখা হয়, তা বানোয়াটও হতে পারে। আর পুলিশ কাউকে ধরলেই সে ভালো হয়ে যায়। পুলিশ কর্তৃক শেষ ৩টি হত্যার অভিযোগ সম্পর্কে পুলিশ কমিশনার সাংবাদিকদের বলেছেন, এ তিনটি ঘটনাই বিচ্ছিন্ন। তবে এতে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা আছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
এদিকে প্রতিটি ঘটনায় পুলিশ তদন্ত কমিটি গঠন করলেও এ কমিটির ওপর আস্থা নেই নিহতদের স্বজনদের। মৃত মজিবরের ভাই বলেছেন, পুলিশি তদন্তে আস্থা নেই। পুলিশ হেফাজতে হাজতির মৃত্যুর ঘটনায় সুরাহা চেয়ে সম্প্রতি বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে রিট আবেদন করে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ-এর পক্ষে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এলিনা খান। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেফাজতে হাজতির মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের প্রতি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। হাজতির মৃত্যুর ঘটনায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হবে না এবং পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু প্রতিরোধে কেন পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হবে না মর্মে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, ডিএমপি পুলিশ কমিশনারসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তিন সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট এবং এ সমস্যার সমাধান ও সর্বজনীন রায় প্রদানের লক্ষ্যে আদালত ১১ আইনজীবীকে এমিকাস কিউরিও নিয়োগ দিয়েছেন। এরা হলেন : ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল, ড. এম জহির, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম, আবদুল বাছেত মজুমদার, আবদুল মতিন খসরু, আনিসুল হক ও ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/07/19/35308

সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি : ৬ মাসে ৮৪ জন গুপ্তহত্যার শিকার : দেশে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে




স্টাফ রিপোর্টার
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির কর্মকর্তারা সরকারের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গুপ্তহত্যার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছেন, গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬ মাসে সারাদেশে ৮৪ জন গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন। সরকার মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক জনপ্রিয় ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলমের সন্ধান এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।
গতকাল আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির কর্মকর্তারা আরও বলেন, গুপ্ত হত্যা, দিনের পর দিন রিমান্ডে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের নির্যাতন, আদালতের আশ্রয় নেয়ার পরও গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলা দায়ের কোনো গণতান্ত্রিক সভ্য সমাজে চলতে পারে না। এগুলো করে সরকার দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দলীয় কর্মীর মতো ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নির্মূলের চেষ্টার এক খারাপ নজির স্থাপন করেছে এ সরকার। সরকারের এ হীন কর্মকাণ্ড গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সব মিলিয়ে দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে।
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক, সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, সমিতির কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জিয়াউল হক, অ্যাডভোকেট নাসরিন আকতার প্রমুখ। অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিরোধী রাজনৈতিক মতের নেতাকর্মীদের অটক করে নিচ্ছে। পরে তাদের হত্যা করে লাশ গুম করা হচ্ছে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলম এখনও নিখোঁজ। দেশে এখন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গুপ্ত হত্যা চলছে। গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৮৪ জন গুপ্ত হত্যার শিকার হয়েছে। অথচ সরকার এ দায়দায়িত্ব স্বীকার করছে না। সুপ্রিমকোর্ট হলো মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। সরকারের মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা এখানে আইনের আশ্রয় চাইতে এসেছেন। আদালত তাদের গ্রেফতার ও হয়রানি না করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু সরকারের নির্দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেফতার করে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মাহবুব হোসেন আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির, নায়েবে আমির ও সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হাস্যকর অভিযোগ এনে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করা হচ্ছে। রিমান্ডের ব্যাপারে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। অথচ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এসব নির্দেশনাকে তোয়াক্কাই করছে না। তিনি বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা সত্ত্বেও জামায়াতের দুই নেতাকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে সরকার আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশের মানুষ বিচার বিভাগের ওপর থেকে আস্থা হারাবে। মানুষ অন্যায়ের শিকার হয়ে আদালতে আসতেও ভয় পাবে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের নিরাপত্তা বিধান করা। অথচ সরকারের হাতেই মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, এমন সরকার আইনজীবীরা দেখতে চান না। মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যা করছে, এটা কোনো অবস্থায়ই আইনের শাসন বলা যায় না। দেশের সর্বপর্যায়ে সর্বক্ষেত্রে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে। জনগণ নিজেদের প্রয়োজনেই সরকারের অগণতান্ত্রিক ও অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে।

http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/07/19/35298

Friday, 16 July 2010

Human Rights Violation in Bangladesh (27 June to 13 July 2010)

Human Rights Violation in Bangladesh 27 June to 13 July 2010

বেড়াতে গিয়ে আটক পাঁচ যুবক পুলিশের কাছে ‘ভয়ংকর জঙ্গি’!

গোলাম মর্তুজা, ঢাকা ও আসাদুল ইসলাম, জয়পুরহাট | তারিখ: ১৭-০৭-২০১০

‘গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য তারা জেএমবি সদস্য সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে সমবেত হয়েছিল।’ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে গ্রেপ্তার হওয়া ঢাকার পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা মামলায় এ অভিযোগ করা হয়।
জয়পুরহাট পুলিশের দাবি, ঢাকার এ পাঁচ যুবককে গত সোমবার জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন: তানভীর হোসেন আদনান, রিয়াজউদ্দিন, লুৎফর রহমান, গোলাম মাহবুব শাহারিয়ার ওরফে রিয়াল ও আল মামুন স্বপন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুরান ঢাকার বাসিন্দা এই পাঁচজনের একজন ফ্রিল্যান্স আলোকচিত্রী, একজন ছাত্র এবং অপর তিনজন ভিডিও-অডিও সিডির ব্যবসা করেন। তাঁদের পারিবারিক সূত্র জানায়, জঙ্গি সংগঠন তো দূরের কথা, নামাজ-রোজা বা ধর্মীয় আচারাদি পালনেও তাঁদের কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। যুবকদের পরিবারগুলোর অভিযোগ, পাঁচ বন্ধু মিলে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার কাচপুর গ্রামে পারিবারিকভাবে পরিচিত ইমদাদুল ও আজিজুলদের বাড়িতে বেড়াতে গেলে ওই দিনই পুলিশ সেখান থেকে তাঁদের আটক করে। পরে কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই না করে পাঁচ যুবককে ‘ভয়ংকর জঙ্গি’ সাজিয়ে পুলিশ মামলা দিয়েছে। এ ছাড়া ১০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ আরেকটি মামলা দিয়েছে বিশেষ ক্ষমতা আইনে। জানতে চাইলে জয়পুরহাটের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মাশরেকুর রহমানও প্রথম আলোকে বলছেন, নিছক সন্দেহের বশে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে পাঁচবিবি থানার পুলিশ জানায়, ওই বাড়িটি ব্র্যাক অফিসে বোমা হামলার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত জেএমবি সদস্য সিরাজুল ইসলামের। ইমদাদুল ও আজিজুল হলেন সিরাজুল ইসলামের ভাই।
গ্রেপ্তার হওয়া তানভীরের বাবা আফজাল হোসেন প্রথম আলোকে জানান, ইমদাদুল ও আজিজুলের এক ভাই যে জেএমবির সঙ্গে জড়িত, তা তাঁরা কেউই জানতেন না। তিনি বলেন, ঢাকার মোহাম্মদপুরে তাঁর শ্যালকদের দীর্ঘদিনের প্রতিবেশীর নিকটাত্মীয় ইমদাদুল ও আজিজুল। সেই পরিচয়ের সূত্রে তাঁদের সঙ্গে তিনি ব্যবসাও শুরু করেন। তিনি সেখানে ৩০০ মণ ধান ও পাঁচটি গরু কিনে রেখেছেন। যেগুলোর দেখাশোনা করছে ওই দুই ভাই। তানভীর বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিল সেখানে।
অবশ্য জয়পুরহাটের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মাশরেকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, একজন জেএমবি সদস্যের বাড়িতে অপরিচিত পাঁচজন লোক। এ ছাড়া তাঁদের কাছ থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিল, ক্যামেরা, ল্যাপটপ, কয়েকটি মোবাইল ফোনসেট ও ইরাকযুদ্ধের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্রের সিডি উদ্ধার হয়েছে, যা জেএমবি হিসেবে পুলিশের সন্দেহকে আরও জোরালো করেছে। পুলিশ সুপার বলেন, ‘আমরা তাদের জেএমবি বলছি না, জেএমবি সন্দেহে তাদের ধরা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। তদন্তের পর বলা যাবে, তারা আসলেই কী।’
গ্রেপ্তার হওয়া আলোকচিত্রী গোলাম মাহবুবের চাচা মহসিন সরকার প্রথম আলোকে বলেন, মাহবুব বন্ধুদের সঙ্গে গ্রামে ঘুরতে গিয়েছিল। সঙ্গে ক্যামেরা আর ল্যাপটপও নিয়ে গিয়েছিল। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ফেনসিডিলের বোতল পাইছে, সেটা হতে পারে। শহরের ছেলে গ্রামে গিয়ে এ রকম করতে পারে। কিন্তু তাদের জেএমবি সদস্য বানিয়ে মামলায় দিয়েছে। পরদিন সংবাদমাধ্যমে পাঁচ জঙ্গি গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশের পর তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের ভুল সন্দেহের কারণে পাঁচটি যুবক ছেলে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত হলো, সামাজিকভাবে তাঁদের পরিবার হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-07-17/news/79315

Wednesday, 14 July 2010

Demonstration in London Immediate after arrest of BJI Leaders






Demonstration infront of Bangladesh High Commission in London Immediate after arrest of BJI Leaders

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী | মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আইনগতভাবে করতে হবে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক | তারিখ: ১৪-০৭-২০১০

একাত্তরের মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আইনগতভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এ বিচারের প্রক্রিয়াকে কোনোভাবেই রাজনৈতিকভাবে বিবেচনা করলে চলবে না।
যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা প্রতিমন্ত্রী এলান ডানকান একাত্তরের মানবতার বিরুদ্ধে বিচারের বিষয়ে আজ বুধবার এ অভিমত দিয়েছেন। দুই দিনের বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি আজ বিকেলে গুলশানের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি এ সময় গণতন্ত্র, যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন-সহায়তা, সুশাসন, দুর্নীতি রোধ—এসব বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন।
যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্যোগ, জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার—এসব বিষয়কে তিনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন, জানতে চাইলে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে বিচারের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন জানান।
যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়াটি একটি আইনগত বিষয়। যথাযথ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করে আইনগতভাবে বিষয়টির সুরাহা করতে হবে। এ বিচারের বিষয়টিকে কোনোভাবেই রাজনৈতিকভাবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।
বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন বর্জন, তাদের ওপর সরকারের নিপীড়নের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে, বিষয়টি অভ্যন্তরীণ বলে সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন প্রতিমন্ত্রী এলান ডানকান।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-07-14/news/78637

Saturday, 10 July 2010

Bangladesh: Re-open Shuttered Newspaper; Free Editor


Investigate Serious Allegations of Torture in Detention



July 7, 2010
Related Materials:

Ignoring Executions and Torture

Shutting down a newspaper and jailing its editor shows the Bangladesh government apparently fears a free and unencumbered press. Intimidation and violence against the media betray the principles of a robust democracy, which is what the ruling Awami League said it was striving for when it campaigned for office.
Tej Thapa, South Asia researcher


(New York) - The Bangladesh authorities' forced closing of a daily newspaper linked to the political opposition and the detention of its editor appear to have violated both freedom of expression and due process, Human Rights Watch said today. The government should immediately ensure that an impartial investigation is conducted into allegations by the editor, Mahmudur Rahman, that he was beaten and abused in custody, Human Rights Watch said.
Human Rights Watch called on the government to reinstate the printing license of the newspaper, Amar Desh, and to allow it to re-open immediately and operate without hindrance. The government also should ensure that Rahman is either immediately released or immediately given a free and fair trial in accordance with international standards. Rahman told the magistrate that he was severely beaten in police custody and that the Rapid Action Battalion, the anti-crime and anti-terrorism elite force of the Bangladesh police, later blindfolded him and handcuffed him to the window bars in a cell, forcing him to stand there for a long period of time without food or water.
"Shutting down a newspaper and jailing its editor shows the Bangladesh government apparently fears a free and unencumbered press," said Tej Thapa, South Asia researcher at Human Rights Watch. "Intimidation and violence against the media betray the principles of a robust democracy, which is what the ruling Awami League said it was striving for when it campaigned for office."
More than 100 police in riot gear stormed the offices of Amar Desh in the middle of the night of June 2, 2010, and arrested Rahman. At least 34 charges have been lodged against him, including 28 involving defamation. The police shut down the printing press, said the paper's license to print had been revoked, and took away all copies of the newspaper that had been printed for that morning's distribution. Police officers attacked and wounded several journalists working the late night shift.
Rahman and his staff had been under pressure from the government for critical reporting about the Bangladesh government. The paper has remained shut ever since, with the government trying to justify its actions by accusing Rahman of fraud. In multiple rulings on freedom of expression, the European Court of Human Rights has held that suspension of newspapers will be a human rights violation unless the authorities demonstrate very strong justifications, including that less stringent restrictions were not possible.
"Questioning government actions and highlighting corruption and abuses of power are critically important media functions in any democracy," Thapa said. "Rather than send in police with batons and padlocks, the government should respond to legitimate criticisms by addressing them. Unsubstantiated allegations of fraud against an editor are no justification for shutting down a newspaper."
Human Rights Watch called on the judicial authorities in Bangladesh to act swiftly either to release Rahman, or if they have lawfully obtained evidence to bring him to trial, to ensure that he receives a free and fair trial.
The authorities should also fully examine the credibility and legitimacy of any evidence they have gathered. The publisher of Amar Desh, Mohammad Hasmat Ali, told Rahman that members of National Security Intelligence took him to their headquarters and forced him to sign two blank sheets of paper. The authorities subsequently claimed that Ali had signed two statements, and that they had decided to take legal action against Rahman on the basis of those statements.
Bangladesh is a state party to both the Convention Against Torture and Other Forms of Cruel, Inhuman or Degrading Treatment or Punishment (CAT), and to the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR). Under CAT, the Bangladesh government must ensure that any person who alleges he has been subject to torture has the right "to complain to and to have his case promptly and impartially examined by competent authorities." Under article 14 of the ICCPR, the Bangladesh government must ensure a fair and public trial for anyone charged with a criminal offense, and such a trial must take place "without undue delay." Article 19 of the ICCPR requires Bangladesh to protect freedom of expression, which can only be restricted if clearly set out by law for a handful of permitted reasons (including national security) and only when strictly necessary.
"The government of Bangladesh should ensure a fair and independent investigation into all the charges against Rahman as well as his serious allegations of torture," Thapa said. "The government needs to make clear to government security forces that the era of torture with impunity is over."

http://www.hrw.org/en/news/2010/07/07/bangladesh-re-open-shuttered-newspaper-free-editor

Children beaten by Bangladeshi police as they join garment workers' strikes


Children under 14 are banned by law from working but campaigners say many can be found in the sprawling factories

policeman appears to be about to hit a child during clashes with garment workers in Dhaka. Photograph: Munir Uz Zaman/AFP/Getty Images
Police in Bangladesh using bamboo staves, teargas and water cannon fought with textile workers demanding back pay and an immediate rise in monthly wages on the streets of Dhaka today.
Witnesses said at least 30 people, mainly workers producing garments for global brands, were injured. Pictures showed children apparently being beaten. Ten policemen were also hurt.
Although there has been violence for several weeks, today saw workers erecting barricades, pelting police with stones and attacking cars. Police described the fighting as the worst yet seen.
Children under the age of 14 are banned by law from working, but campaigners say many can still be found in the sprawling factories. Hundreds of teenagers took part in running battles with police today.
Local reporters and union officials said a row between workers and a manager at one factory led to a fight which then sparked general disorder.
By nightfall, order had been restored. "The situation is calm. The problem has been solved," said Mohibul Haque, Dhaka's deputy police commissioner.
Many of the rioting workers are employed by plants which make ready-to-wear garments for sale in western high street stores.
"We worked for them," shouted one striking worker. "They are doing business and making money, but not paying us."
An estimated three million workers, mostly women, are employed in the Bangladeshi garments industry. The lower paid workers earn a minimum monthly salary of 1,660 taka, equivalent to less than £18. They have demanded an increase to 5,000 taka. Owners said last week they could pay no more than 3,000 taka a month.
"With inflation, many workers simply do not receive a living wage," said Khorshed Alam, a political scientist and executive director of the Alternative Movement for Resources and Freedom Society in Dhaka. "They know that the next chance they will get to force a pay rise may be in four or five years."
The garment industry accounts for more than 80% of impoverished Bangladesh's £10bn annual export earnings, according to commerce ministry data. The minimum wage, which is set by the government, was introduced in 1994 but remained unchanged despite soaring food prices until 2006. The result of the latest talks on the wage is due to be announced at the end of July. Until then, analysts expect the violence to continue.
"This generation of garment workers is much more literate and politically aware than their predecessors," said Alam. "They have grown up in the slums not the villages and know that they need to be united and to demonstrate in the streets to realise their aims."
A global report released last week by the International Trade Union Confederation in Vienna said Bangladeshi garment workers were the "world's most poorly paid" and that their exploitation was "on the rise".
The report cited a survey released last month by the Bangladesh Factory Inspection Department which showed that almost 15% of employers did not pay their workers on time between January and May. Many other factory owners did not pay overtime, while several continued to pay less than the government's minimum wage.
The garment industry accounts for about 40% of Bangladesh's total industrial workforce. Campaigners say wages have been cut by 20 to 30% recently in a country where almost half the population is already living below the poverty line.
Low levels of unionisation and organisation have meant protests that are chaotic but difficult for the police to predict or break up. Raids by protesters on well-known factories are frequent occurrences. Owners have hired their own gangs to protect their production lines.
Dozens of people were hurt in several days of unrest last week in the Ashulia industrial zone, 20 miles outside Dhaka, where nearly 300 textile factories were closed temporarily. Workers said that their employers had imposed lock-outs in an attempt to break their strike.
Abdus Salam Murshedi, president of the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association, has said the violent protests have created "panic and anarchy".
Factory owners argue that the unrest risks frightening away western clients who need reliable deliveries. Murshedi refused to comment today.
Moshrefa Mishu, leader of the Garments Workers Unity Forum, said that during the last round of unrest and negotiations the major overseas buyers had put pressure on the local government to improve conditions and pay in the factories. "So far they are silent this time," she said.

http://www.guardian.co.uk/world/2010/jun/30/bangladesh-strikes-children-beaten-police

Thursday, 8 July 2010

পুলিশের হেফাজতে মৃত্যুতে মানবাধিকার কমিশনের উদ্বেগ

বিচারবহির্ভূত হত্যা ও পুলিশের হেফাজতে মানুষের মৃত্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। গতকাল বুধবার আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের সঙ্গে কমিশনের কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ শেষে কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎকালে কমিশনের চেয়ারম্যান ছাড়াও পাঁচ সদস্য কাজী রিয়াজুল হক, ফৌজিয়া করিম ফিরোজ, নিরুপা দেওয়ান, সেলিনা হোসেন, নিরু কুমার চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে কমিশনের চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, কমিশন মানবাধিকার সুরক্ষায় সাংবিধানিকভাবে দায়বদ্ধ। আইনের যতটুকু সুযোগ আছে, তা প্রয়োগ করে মানবাধিকার সুরক্ষায় কমিশন কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা থাকবে বলে আইনমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন।
মিজানুর রহমান বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নিখোঁজ নাগরিকের সন্ধান দিতে না পারা, পুলিশের হেফাজতে মানুষের মৃত্যু—এসব বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, নাগরিক নিখোঁজ থাকবে আর তাঁর পরিবার-পরিজন কমিশনের সামনে কান্নাকাটি করবে, বিচার চাইবে—এটি সভ্য সমাজের লক্ষণ নয়। এটি মানা যায় না। মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনাই সহ্য করা হবে না। সরকার যদি উদ্যোগ না নেয়, তবে কমিশন এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী উদ্যোগ নেবে।
সাক্ষাৎকালে কমিশনের পক্ষ থেকে সুবিধাজনক স্থানে কমিশনের কার্যালয় স্থানান্তর, প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি এবং জেলাপর্যায়ে কার্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়।
আইনমন্ত্রী পরে সাংবাদিকদের বলেন, সরকার নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এ জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিশন গঠন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী তাঁরা স্বাধীনভাবে কাজ করবেন। সরকার সেখানে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিচারবহির্ভূত যেকোনো কাজই আইনের শাসনের পরিপন্থী। সরকার ইতিমধ্যে এসব কাজের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। এ ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনাও সরকার প্রতিপালন করবে।
সরকারের পক্ষ থেকে কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, মানুষের সাংবিধানিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হোক, সরকার তা চায় না।
বিচারের সম্মুখীন না করে কাউকে হত্যা করা অপরাধ। এ ধরনের হত্যায় জড়িত কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে। তিনি জানান, কমিশনের জনবল, কার্যালয় স্থানান্তর ও জেলাপর্যায়ে কার্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব আইন অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-07-08/news/76995

Tuesday, 6 July 2010

Digital Rape in Analog Bangladesh

Shimul Chaudhury

However, some secondary school going girls of the district of Pirojpur and other places of the country have recently had the taste of 'digital Bangladesh', as some of them were raped and digitalized by local leaders of Bangladesh Chhatra League (BCL), the student wing of Awami League (AL). Perhaps, this is the first and the only delivery of the party leader Sheikh Hasina's election pledge of digital Bangladesh that the country has witnessed so far! Other than that, the whole country has more or less remained the same analog as it was before, except for the increase in the lawlessness of the Awami affiliates and tortures by Chhatra League members of students of other political organizations at college and university campuses throughout the country. One story goes, as reported in the Daily Star (Dhaka, 28 September 09) and the Naya Diganta (Dhaka, 30 September 09), Ahsan Kabir Mamun known as Tiger Mamun, a leader of Pirojpur district unit of Bangladesh Chhatra League, and some of his cohorts stopped and raped few female students of a secondary school after taking them to a secret location. The rapists recorded their sexual exploits in a mobile phone camera. Later on, CDs of this pornographic scene of raping the girls became available in video shops in the area. Ashamed of the social stigma and embarrassed by digital CDs of 'digital' BCL, family members of the rape victims wanted exemplary punishment of the criminals and resolved to 'go for legal action' (Daily Star, 28 Sep 09) and the local police administration accordingly assured the shocked family members of all legal aid and security. However, the police arrested three people involved in trading in the CDs, but not the rapist student leaders of the ruling Awami League party. According to the Daily Star (29 September 09), "A similar incident took place in Faridpur where a girl was gang-raped and the video was released in the market". But no arrests were made in that case either.

Two days after the reporting of Pirojpur digital rapes, on 30 September 09, the Daily Star printed another rape report titled "10 BCL men rape girl", involving leaders of Chhatra League. In this incident, ten activists of the student wing of the ruling party, Awami League, gang-raped a teenage girl who is a student of Year-7 in Pakhimara in Kalapara upazila of Patuakhali district in the division of Barisal, Bangladesh. The incident happened when the victim was returning home with her cousin Nasir Uddin in the evening. The BCL men tortured and drove the helpless Nasir away and took the girl to a nearby garden and gang-raped her.

However, local Awami League leaders and heavyweights intervened and ensured the exoneration of the culprits through a fake trial of village arbitration. They "compelled the victim's father not to go for legal action and also took their signatures on three blank sheets to stop any future move to that end". According to the father of the victim, local AL leaders including Kalapara upazila unit Secretary Rakibul Ahsan and Upazila Parishad Vice-Chairman Sultan Mahmud took his and his daughter's signatures on three blank sheets asking them not to seek justice in any law court. Rakibul Ahsan later tried to hide the rape crime by saying to the Daily Star, "The youths did not rape the girl, they just made an attempt. We punished them so that they don't indulge into such activities in future." Threats and intimidation forced the family of the victim to go into hiding, while the rapists remained still at large (Daily Star, 1 October 2009). Awami League leaders Rakibul Ahsan and Sultan Mahmud then orchestrated a press conference at Kalapara press club and had the victim and her parents present at the event. Then "the victim girl was forced to read out a written statement, declaring she was not raped but tortured while she along with a cousin was returning home after visiting a puja mandap on September 25" (Daily Star, 2 October 2009).

Readers of this essay who followed the activities of BCL leaders during Sheikh Hasina's last tenure as Prime Minister of Bangladesh (1996-2001) may remember a series of rapes and incidents of sexual harassment involving them. As Hana Shams Ahmed narrates:

The first report in the media came out on August 17, 1998 in the Daily Manobjomin where it was reported that three female students of JahangirnagarUniversity had been raped by student cadres of Bangladesh Chhatra League (BCL) of the university. A fact-finding committee later reported (The Daily Star, September 26, 1998) that a total of 20 JU students were raped in different locations on campus and 300 were sexually assaulted by members of this group. The perpetrators were all political cadres of Chhatra League. Jasimuddin Manik, a student of Drama and Dramatics department and the former general secretary of the JU unit of BCL, was on the top of the list of seven persons accused of having committed rape. The report also said that Manik on completion of his 100th rape 'celebrated the occasion by offering sweets and throwing a cocktail party'. (Violating a Sacred Relationship, Star Weekend Magazine, 7(31), August 1, 2007)

As in the case of the rapes of September 2009, the victims of the rape crimes at Jahangirnagar University also did not go to court for legal redress; and that obviously for the social stigma attached to it. An important Awami League leader Prof Alauddin Ahmed was the Vice-Chancellor of the University at that time. He justified his inaction with regard to the punishment of the rapists BCL leaders by saying: "under the law of the land, the victim has to lodge the complaint herself" (ibid.). None of the rape criminals of BCL of JU had to face any criminal punishment, and thus was given 'a license to rape'. The rapist century-scorer Jasimuddin Manik was sent to Japan by the Awami League government to avoid further embarrassment. Manik must have preferred better life in prosperous Japan to imprisonment in poor Bangladesh. He was given a reward, not punishment, for his rape records. Manik is now believed to live in the United States.

After a gap of seven years, Awami League with the same leadership of Sheikh Hasina has come to power; and the same incidents of rape are being repeated by Chhatra League activists. Some rape cases are reported, but many are not. During 1996-2001, Sheikh Hasina was the Prime Minister; and now also she has taken the helm of the country. Being a woman, she must understand the urgency of the matter. People want quick action from her. She should control her sons in Chhatra League who obviously misconstrued her slogan of 'digital Bangladesh'. I am sure Sheikh Hasina did not mean digitalized rape when she campaigned for election victory by using the slogan of 'digital Bangladesh'. Dear Prime Minister! Chhatra League has shown us enough of your 'digital Bangladesh!' Please deal with them!

http://humanrightsinbangladesh.com/3.php

Genealogy of militancy in Bangladesh and some threatening worries

Shimul Chaudhury

Such incidents involving religious zeal had no place in Bangladesh in the past. In no time, Bangladesh became a news headline and different theories were being concocted. As a result, the country terribly suffered both economically and politically.

Bangladeshi expatriates and migrant workers especially those in the Middle East and in countries like Malaysia started to have the brunt of this image injury of their country. They have been looked down upon with a prism of suspicion and distrust. Foreign investment in Bangladesh, especially in garment industries, was halted for a period and still is not as it had been before.

A neighboring country became the immediate beneficiary of the embarrassment that Bangladesh was having. While many Bangladeshi migrant workers were being sent home, those from that neighboring country started to receive special treatment. Their gate to the international labour market became wider.

The above facts should be important in understanding those militant incidents in Bangladesh in the 2005s. Militancy in Bangladesh did not benefit the political parties that were in power at that time or those who do not subscribe to India’s political interest in the region. So it would be a worthwhile investigation to look into the genealogy of militancy in Bangladesh.

In all likelihood, the strong intelligence service of the country that has been the beneficiary of all such negative developments in Bangladesh was behind these incidents, especially in the training of the militants. And in all likelihood, the preparation period of militancy was during the last Awami regime 1996-2001 when some quomi madrasas were allegedly being used for stirring up militancy and for training purposes.

Despite the widespread damage to Bangladesh’s image in the international world, those militant incidents failed to give the neighbouring country and its ally Awami League inside the country the fullest dividend. They failed to establish a link between militancy and Bangladesh Jamaat Islam, a party that refuses to bow down to the Indian political and economic hegemony.

In my opinion, the arrest of the three most prominent Jamaat leaders (Motiur Rahman Nizami, Delwar Hossain Saidee and Ali Ahsan M. Mujahid) is to wrap up that un-finished task. Members of the intelligence service of the neighbouring country and Awami League ministers are well aware of the huge love and respect that these three leaders command among the rank and file of Jamaat Islam. Tortures on such highly respected people and religious scholars will definitely upset many religious people in the country, especially those belonging to Jamaat Islam. Anger may lead some of them to militancy; few individuals may even take the wrong route of suicide bombing out of desperation. If such things happen, God forbid, Bangladesh will fall to the category of Iraq, Palestine, Pakistan and Afghanistan, and the full mission of the neighbouring country will be accomplished with the complicity of the Awami regime. Bangladesh is the last remaining hurdle for this regional power to reap the strategic and economic interests in South Asia.

Awami League and its subcontinental patron are using the sentiment of Bangladesh's liberation war of 1971 for a wrong intention. I hope the people of Bangladesh will wise up to the viciousness of this plot against the country before it is too late, before we find our beloved country turned into another Afghanistan, another Pakistan!

http://humanrightsinbangladesh.com/15.php

Silence of civil society

Shimul Chaudhury

Before Awami League came to power in late 2008, a catch phrase that the people of this country heard again and again was ‘civil society’. Generally people in the upstairs in the social hierarchy with enormous privileges and foreign links use the banner of ‘civil society’ to wield power in Bangladesh without directly becoming involved in political parties. An objective research on the pros and cons of this group will show that, the loyalty of the members of this amorphous coterie is clearly divided. They are torn between their country of birth (Bangladesh) and the rich countries where their children are now comfortably settled. Many of them maintain second homes in other countries. A sad phenomenon in Bangladesh is that such people who choose foreign lands for their children seem to have a stronger say on the country’s policy matters. Unfortunately, this privileged group always dominates people who have wholeheartedly accepted Bangladesh as their country and are ready to die for it.

Although the civil society cries neutrality and refuses to admit that they maintain favoritism for one political party or the other, their sympathy for Awami League and for the current regime in Bangladesh is undeniable. Consider, for example, their past cries about violations of human rights at the time of the previous political government in Bangladesh and their dead silence now when lawlessness and countrywide anarchy perpetrated by the affiliates of the ruling party has surpassed any such records of the last few decades. It seems that people in the rank and file of Awami League are heading to reach the level of crimes carried out by the Rakkhi Bahini during the first Awami government in the early 1970s.

Murders, rapes and then threatening the victims and their families are now commonplace and taken-for-granted matters for the cadres of Awami League. Attacking people of opposition political parties, teasing women and raping them occupy big newspaper columns. Unfortunately, these do not seem to draw the attention of the co-called civil society. Nor can they elicit adequate statements of condemnation from them.

Given these facts, I have one humble appeal to the ‘members’ of the formless civil society: If you think your loyalty does not belong to this country, please keep away from ‘our’ political and social debates. This poor country fares quite well without your undue intervention. However, if you love this country and if you think you are honest in your patriotic protestations, please be consistent in your concerns for civil rights. Your dead silence in the face of criminalities and wrongdoings of the affiliates of Awami Leauge really battles the nation.

The Road To BAKSAL

Shimul Chaudhury

of the BAKSAL (Bangladesh Krishak Sramik Awami League) of 1975 when all opposition political parties and newspapers were banned.

During the campaign of the last general election, Awami League never mentioned that, in honour of the founder of BAKSAL Sheikh Mujibur Rahman, it would go back to a one-party political system in Bangladesh. But now we notice an irresistible tendency in the Awami psyche to return to BAKSAL style politics.

Television channels and newspapers are being shut down. Rallies of opposition parties are being thwarted with bright Awami excuses: Awami affiliate organizations call counter rallies at the venue where opposition parties want to hold a meeting; and then the police step in and declare 144 to proscribe any political rallies. On one occasion, obviously directed by the government high-ups in Dhaka, a local UNO emerged in the midst of a political meeting and declared 144 on the spot. Needless to say, if such an episode occurred in the midst of an Awami rally, the UNO would not have returned home alive.

Unlike the first Awami regime of the 1970s, the current Awami government does not shut down a newspaper without an excuse. It locates a Hasmat Ali, takes him away from his home and keeps him in a secret location for 6 hours. Then the country comes to know that this Hasmat Ali sues an editor, on the basis of which the government arrests the editor and shuts down his newspaper.

Unlike the earlier Awami regime, the current one has a big advantage: with the help of a neighbouring country it has produced dozens of 'intellectuals' affiliated with universities who issue moral certificates to Awami human rights violations. Many of these intellectuals appear on TV, write for newspapers and sell statements. They are instrumental in distracting the attention of the people from the pressing issues and in bringing in issues in public attention that have no relevance to the eradication of poverty or to the advancement of the country. These intellectuals will present the 21st-century BAKSAL to the world in a sugar-coated way. Since the Awami League uses the secularism slogan to sell its fascist ideas, the secular west may turn a blind eye to a one-party political system in Bangladesh. However, the people of Bangladesh will have to bear the brunt of the atrocities of such a one-party political system.

Thoughts on BAKSAL, Mahmudur Rahman and the media

Shimul Chaudhury

This is a fact and not a fiction. That regime committed a criminal act and waged a war against democracy, for which Awami League has never apologized. People of the country including those belonging to Awami League know this very well.

The political strategy the current Awami regime is following gives us a clear signal that Sheikh Hasina’s government wants to remain in power for a very long time by re-establishing the one-party political system in Bangladesh; and that is why she is stifling political dissents and disallowing opposition rallies, which she may dare to believe will lead to the perpetual rule of her party.

Despite this blatant undemocratic stance of Awami League, both domestic and foreign media are largely silent about Awami brutalities. Since the media largely influence public opinion, people of the country are thus kept in oblivion about the fascist nature of the current regime in Bangladesh. What a section of media usually highlights, for example, is Jamaat-e-Islam’s political stance of 1971 in favour of a united Pakistan. After about four decades of the liberation of Bangladesh, Jamaat’s political stance in 1971 can be interpreted in two ways: firstly, it was totally wrong to espouse to retain a united Pakistan given all the inequalities that existed between West Pakistan and East Pakistan; secondly, the way Indian BSF personnel are killing hundreds of Bangladeshis every year and given other Indian economic and political exploitations of Bangladesh may vindicate the Jamaat fear of 1971 that a Bangladesh axed from Pakistan would be subject to Indian hostilities, which is actually the present day reality. However, this is a matter of political and historical analysis and should be done in an academic way.

Nonetheless, if Jamaat’s stance was wrong (and I believe it was), it can also be interpreted as its right to hold a political opinion. What is important to note is that Jamaat leaders have wholeheartedly accepted Bangladesh and shown loyalty to the state. I do not know any Jamaat leader who has said that Bangladesh should rejoin Pakistan. In terms of the gravity of crime, establishing BAKSAL was not a lesser offense. What is more, Awami League has not yet declared that it would never pursue such a political goal and their current activities suggest that they do not tolerate any opposition parties or dissent voices. The current Awami government has practically turned many police stations in Bangladesh into torture cells for the opposition party people and for the ones like Mahmudur Rahman who expose the regime’s misdeeds.

Unfortunately, the Awami BAKSAL crime is not highlighted in the media. The line of reporting of a section of Bangladeshi newspapers seems to meet the ‘wishes’ of a neighboring country that is bent on scoring political and economic dividends from Bangladesh while Awami League in power. Shutting down electronic and print media is now deemed to be taken for granted. While an editor is being tortured most inhumanly in police custody, many media agencies are turning blind eyes to the regime’s fascist inclination. Tortures on Mahmudur Rahman have now become a normal practice and many media people are not using their influence to rescue him.

Let us imagine that an editor of one of the many newspapers ‘loyal’ to the neighboring country is tortured in the way Mahmudur Rahman is, what would be the reaction of the local and international media? The leverage of our neighbouring country in international politics and in the media world may be the main reason why global media is largely silent about the tortures on Mahmudur Rahman. It is true that being a poor country we may not be able to exercise such leverage in the near future. But what is frustrating is that a section of our local media is also keen on going along with outside instructions in its reportage.
Mahmudur Rahman’s patriotism is now being tested, and I believe he will remain firm and true to his country in the face of all these state persecutions. We pray to God so that we will see him alive and unharmed after the inhuman remand tortures he is going through at the moment. Mahmudur Rahman’s love for the country has set a target which is beyond the reach many editors who are busy earning the pleasure of the regime.

We know about a number of sweet sounding international organizations like Amnesty International, PEN, Article 19, Reporters sans frontier and Human Rights Watch that are supposed to defend free speech and human rights. Unfortunately, we may not see their intervention to stop the tortures on Mahmudur Rahman, and that is perhaps because he does not fit in their international political agendas. However, I strongly believe that a Mahmudur Rahman – alive or dead – after these tortures in remands will have a greater claim on the gratitude of the people of Bangladesh. A true national hero is in the making, while editors of many newspapers are carousing in the kitchen and pantry of Awami League and its foreign patrons.

http://humanrightsinbangladesh.com/16.php

Thoughts on RU Incident: Untold Facts

Shimul Chaudhury


Shibir leaders have categorically denied such involvement and iterated that intra-party conflict within the Chattra League cadres of RU left one of them dead and few other wounded. Police’s mysterious role and complicity has also been referred to by Jamaat-Shibir people and questioned by some media. Without any certainty about the identity of the perpetrators of the murder of Faruk Hossain, on the provocation of the people in power, police allegedly shot dead a Shibir activist in Chapainobabgonj apparently to be in the good books of the ruling party, while the terrorists of Chattra League chopped a bright Shibir worker of Chittagong University to death when he was on his way back to his dormitory after doing his usual tuition duties. Many Jamaat-Shibir people have been attacked and badly wounded at their homes and in the street, many Jamaat-Shibir offices have been burnt and vandalized and many educational institutions run by them have been damaged, leaving many traumatized and tortured and many parts of the country in lawlessness. Such misdeeds are continuing unabated. While the murder of Faruk is being highlighted with hype, the atrocities and havoc wreaked by Awami-Chhatra-Jubo League people are under-reported and under-emphasized. There were 13 political murders in Bangladesh in February 2010, but the Awami government had singled out one incident to repress Islamic elements in the country.

On the same day when Faruk was killed, BNP councilor Ahamad Hossain of Dhaka City Corporation Ward-70 was murdered as he was leaving masjid, robbers looted a residence at East Goran in Dhaka and killed an old woman of the family, ruling party extortionists beat up and shot on the right leg of a businessman named Alamgir Hossain in Chougachha of Jessore as he refused to pay toll and as he sought police help, about 30 people were injured as factions of Awami League clashed in Narayanganj and Chuadanga. The list of such incidents occurred on the day Faruk died goes on. Days before, Abubakar Siddique, a meritorious student of Dhaka University hailing from a poor farmer family had to give his life for the factional clashes of Chhatra League in Sir AF Rahman Hall of the University; only a month ago, a Bangladesh Chhatra Maitree leader Rejanul Islam Chowdhury Sunny was killed in broad daylight by Chhatra League hooligans at the campus of Rajshahi Polytechnic Institute; months ago, the general secretary of Shibir unit of Rajshahi University, Sharifuzzaman Nomani was killed by Chhatra League cadres at the University. Chhatra League activists of Dhaka's Cantonment unit killed their leader AKM Faruk Hossain on 12 Feb 2010.

Government took retributive and punitive measures only in the case of the murder of Faruk Hossain at Rajshahi University on 9 February 2010. No investigation committee was formed and no large-scale arrests were made after the death of other victims. Nor did those deaths make big newspaper headlines for consecutive days. In the last few decades about 135 Shibir leaders and activists were killed in different educational institutions of Bangladesh and many of them by Chhatra League hooligans. According to a report by a pro-Awami League English daily, the Daily Star (10 Feb 2010), since Awami League took office on 6 January 2009, at least five students have been killed and hundreds injured across the country, and all involving Chhatra League.

No murder or violence committed by Chhatra League prompted any call for banning its politics, there was no mobilization of police forces, no police officer was suspended for negligence of duties, no ministers appeared on the media with a declaration of war on the criminals, no ministers called on the police to launch a crack-down on Chhatra League, no offices of Awami-Chhatra-Jubo League were attacked or burnt down, no senior police officer had to rush to the scene, so on and so forth. The list of such inaction upon the hooliganism of Chhatra League goes on. This inaction is not only a fact with regard to Chhatra League; it is also very much true in regard of the regular murders of Bangladeshi citizens by BSF. We hear almost nothing from the Prime Minister and from other senior people in power in Bangladesh over the routine killings of Bangladeshis by Indian border security forces in the border region. While internally the blood of Awami-Chhatra- Jubo League is more precious than that of the rest of the people of Bangladesh, externally the blood of Bangladeshis does not count much in the Awami imagination when it is shed by the ‘friendly’ neighbour. Whose interest is this government serving? Which country do Awami ministers belong to? Who voted them to power and who are now using them?

Since the Awami regime came to power, hundreds of Shibir activists only of Dhaka University have been ousted from their dormitories and many of them cannot come to the campus. Many of them were attacked even in the exam halls of Dhaka University while the panicked Shibir students were sitting for exam, and that in the presence of helpless teachers. Torture of Shibir students by Chhatra League at the DU campus has become a regular taken-for-granted incident. Scared Shibir students do not want to open their mouths fearing that reporting such tortures would thwart their education, while a great number of Shibir students abandoned their education at Dhaka University. Only few weeks ago, the central president of Chhatra Dal was severely attacked by Chhatra League cadres at Dhaka University, in which the Proctor of the University was also seriously wounded and admitted to a hospital. Democracy for Shibir students in many places in Bangladesh is non-existent. All these undemocratic practices of hostile parties and all these tortures on Shibir boys make their conviction and loyalty to Shibir only stronger, which Awami League’s arrogance does not let its affiliates understand.

If students involved in Shibir were murderous and violent, it would first be reflected within the fabric of the organization. But the opposite is true. Since the birth of Shibir, there has not been a single incident of factional clashes among Shibir men. In all the places where Shibir is dominant, there has not been a single incident of money extortion by Shibir people. A look at, and comparison with, other student organizations will tell much louder about the character of Shibir people. These facts are Shibir’s strength. Awami-Chhatra-Jubo League violence on Shibir and media disinformation on the organization will one day be exposed; but what Shibir stands for will remain and may triumph.

http://humanrightsinbangladesh.com/2.php

In Memoriam 28 October 2006

Shimul Chaudhury

There is another more obvious reason why many people especially the so-called secular intellectuals in Bangladesh and abroad will remain oblivious to that tragic day: the people who were murdered on the streets of Dhaka on that day were ‘Islamic’ belonging to a religious group Nowadays, such murders do not seem to draw much pity or make big headlines. Some credit goes to two former “leaders” – George Bush and Tony Blair – who began the twenty-first century with unlawful killings of humans in their hundreds and thousands. These days killing the Muslims globally and the people belonging to Islamic parties in Muslim lands locally are taken-for-granted matters. Even in non-Muslim countries with a better law and order situation, killing a Muslim does not seem to stir much public furor. In 2009, in the city of Dresden in Germany a Muslim woman of Egyptian descent was first teased, harassed and then killed at broad day light in courtroom. The Western media including the secular ones in Muslim countries did not give adequate focus on that unlawful killing. Apparently, the blood of the Muslims is considered cheaper than that of their fellow human beings.

On the eve of the handover of power from the BNP-Jamaat ruling alliance to the caretaker government, like other political parties, Jamaat organized a big rally in Dhaka to celebrate peacefully the successful power handover. Jamaat’s rally was at the north gate of Baitul Mukarram masjid while Awami League gathered at Paltan for a different purpose, and in a different manner. The latter wanted to defy the outgoing BNP-Jamaat alliance and demonstrate its brawn power. Many newspapers used words like “clashes between the activists of the outgoing ruling alliance and the opposition.” But actually what happened should not be described in such simple terms.

Awami League chairperson who is the Prime Minister of Bangladesh now had told her party men to bring 'logi-boitha' (pole-oar) to their rally on that day. Her party men brought – together with logi-boitha – fire arms, knives and other lethal weapons for purposes the people of Bangladesh did not understand until they actually saw Sheikh Hasina’s men in action. Without any provocation whatsoever, her party men first attacked Jamaat-Shibir people who were caught on their way to the Jamaat rally. The whole world saw how the professional Awami hooligans beat up to death about ten Jamaat-Shibir people on the streets of Dhaka on broad day light. Then they attacked the Jamaat-Shibir rally and tried to kill its senior leaders. Such killings were unprecedented on the streets of Dhaka for decades. For the post-1971 generation, those killings worked as a vindication of what their parents told them about the lawlessness and ruthless murders committed by the Raksi Bahini during the BAKSAL regime after the independence of Bangladesh in 1971.

The killings of 28 October 2006 had its digitalized Awami flavor. As usual, Awami League tried to put the blame of the killings on the scapegoat Jamaat in two ways. First, they hired few local reprobate father figures who in a dispassionate and frosty fashion claimed some of the dead bodies of their own sons’. When this did not work, Awami League went for the digital option. They simulated some pictures in computer and printed big posters which they pasted on the walls of Dhaka and exerted a futile exercise of scapegoating. Thus Awami League did not spare the bereaved families whose grief was still permeated by shock and disbelief.
On 28 October 2006 I was in Dhaka, as I went to Bangladesh for spending few weeks with my family members. I met many so-called intellectuals and Dhaka University professors who claim to be the moral authority in the country and are usually loud in claiming their share in the independence of the country in 1971. Unfortunately, I did not find any of them at least regretting for what happened on the streets of Dhaka on 28 October 2006. Some other secular intellectuals who took note of it dismissed it as political clashes. However, had the casualties belonged to a secular party and the killers been ‘Islamic people’, the media coverage, the international ruckus and the reaction of the Islamophobe intellectuals in Dhaka would have been completely different. Who knows, it could incite another military adventure as in Afghanistan and Iraq. I believe condoning such killings as Awami League perpetrated on that day makes none of us safer. Such exercise of muscular power is contagious and may turn to anybody within or without the Awami League. I am not a member of any political party in Bangladesh. I have written this piece, as I still carry the traumatic memory of the brutalities in Dhaka on 28 October 2006. The question of justice may seem irrelevant, as Sheikh Hasina – who told her party men to bring 'logi-boitha' (pole-oar) – is the Prime Minister of Bangladesh now. I pity Bangladesh!

http://humanrightsinbangladesh.com/1.php

Reasons for collective actions to shield Mahmudur Rahman from Awami regime's cruel exercise of power

Shimul Chaudhury

If the repressive regime takes this long vacation as an opportunity to persecute this patriotic man in police custody, freedom loving people in Bangladesh and beyond have a very good reason to feel disturbed.

On a personal note, let me make it very clear that I am not a member of any political groups in Bangladesh. But I have deep respect for Mr Rahman, as I know that he has been honest and brave in exposing the wrongdoings of the people in power. When many columnists remained largely silent and exercised self-censorship during the last army-backed government, he was the one to write relentlessly against human rights violations during those two years. He was the man to challenge them! After Awami League came to power, he continued writing for the betterment of his country and against India's political and economic hegemony in the region and against the Bangladesh government's subservient policies.

Recently I contacted a lawyer who has been partly involved in handling Mr Rahman's case. This is what he said to me:

"He [Mahmudur Rahman] was taken to an unknown place, eyes were folded, he was undressed, tortured,,,,was not allowed to sign a letter of authority for 'appointment of lawyer' (it was later allowed), he was kept in police custody without food and drink for long hours, he was not allowed to see his lawyers / family members for over 24 hours. He was arrested on 1 June, by now he has lost his weight @ 7 Kgs, he was taken on police custody for interrogation in criminal cases which were filed after he had been arrested!!!.....his life is endangered. Please see the reports (Naya Diganta, Amar Desh, others 3 June - 15 June). His very arrest was unlawful. He said to his lawyers/family members and even to the Court that he had been brutally tortured: physically and mentally....starvation, inhuman and degrading treatments in violation of all norms of human rights, constitutional safeguards....all have taken place by now...."

Upon court appearance, Mr Rahman told the judge that he was not supposed to be alive after what he had gone through in police custody and asked the judge to save his life.

Historically, Awami League, the political party currently in power in Bangladesh has always been against freedom of the press. On June 16, 1975, the then Awami League government had closed all newspapers except four under government control and banned all other political groups. Since this regime came to power in early 2009, it has kept torturing people of opposition political groups, threatening journalists and shut down television channels like Channel 1and Jamuna TV, and the second most widely-circulated newspaper Amar Desh.

What I have gathered after reading different news stories on Mr Mahmudur Rahman's arrest and tortures on him is that: He was severely tortured by unidentified five people in one early morning in the name of remand; he was blindfolded, stripped naked. When those men started torturing him, he fainted and remained senseless for many hours. He was questioned not about the issues relating to his cases; but about other extra-judicial matters.

People in Bangladesh believe that Mr Rahman has been the target mainly for his writings where he talked about the regime's complicity in the killings of about 60 army officers in February 2009 and about Prime Minister Sheikh Hasina's son Joy's involvement in financial corruptions.

I most humbly request all to do whatever they can to put pressure on the Bangladesh government to rescue this uncompromising writer.

http://humanrightsinbangladesh.com/14.php

BSF Killings and Awami League

Shimul Chaudhury

When the BSF thugs routinely kill Bangladeshis in the border regions, they do not discriminate whether their victims in Bangladesh belong to Awami League, BNP, Jatiya Party or Jama'at. However, in condemning BSF's regular violations of human rights and its killings of Bangladeshis, Bangladeshi political parties are sharply divided. Some Bangladeshi political parties raise hue and cry now and then to register their protests against BSF's murderous actions. But, unfortunately, a very prominent Bangladeshi political party remains dead silent with regard to BSF's wrongdoings.


This tells us about the sad story of Bangladeshi politics, as the political parties are not united even in protecting the country people from foreign aggression. This also suggests the success of Indian foreign policy, as it has a very loyal political group in Bangladesh that looks after India's interest blindly and is ready to ignore Bangladesh's interest when India's political and strategic interest is involved.


If the Bangladeshi party loyal to India were selective in its condemnation of BSF's routine murders, then we would have some consolation. What is frustrating is the fact that its silence about India'a atrocities is absolute. When India is in the scene, it does not bother whether the BSF victims are from its own party or from other parties. In other words, the security of the people who voted that party to power do not count much in its imagination.


The whole world is stunned by the Israeli atrocities directed to the Palestinians and to people who try to stand by them. But, there is a striking analogy: Palestine and Bangladesh: Israel and India. This analogy is perhaps the reason why India is a strong ally of Israel. More so, the political party in Bangladesh that is silent about India's illegal cruelty inflicted on Bangladeshis is also largely silent about Israel's monstrous behaviour.


Bangladeshi people are politically highly sensitive, but extremely naive. But when they come to know the real story of the friendship between their oppressors outside the border and a party within the country they vote for, they may exercise their democratic rights more wisely in future.
http://humanrightsinbangladesh.com/12.php

New polarization in Bangladeshi politics

Shimul Chaudhury

twentieth century, politicians made dividends on two demons: anti-liberation forces and the military autocratic regime of General Ershad. However, using his political card, the despotic, tyrannical Ershad has now been able to erase the astounding and atrocious record of corruption and misuse of office. He has been graciously embraced by Awami League, which gives him the credit of a kingmaker.

Since a big chunk of the media is generally generous to Awami League, this marriage between it and Ershad’s Jatia Party has been taken for granted, for which Awami League has not had to pay any political price at all. However, BNP was not forgiven. An all-out attack has been on the party for making an alliance with Jamaat, commonly branded as an anti-liberation political force in Bangladesh.

Interestingly, since Awami League came to power this time, its usual anti-Jamaat stance has had an added dimension. Government ministers and Awami intellectuals have now been increasingly distrustful of all Islamic elements including people regular in mosques. This becomes more obvious when we see the Awami purists become wary and suspicious of the Islamic people in the rank and file of the party. They tend to launch purging operations to get rid of elements that refuse to comply with its new vision and strategy.

This new vision and strategy of Awami League is highly influenced by two overarching considerations: loyalty to India and cultural syncreticism which espouses inclusion of Hindu cultural values in the name of sub-continental indigenous traditions. Eventually, among the Awami affiliates, people who find it inconceivable to bow down to Indian political, economic and cultural hegemony and to embrace Hindu cultural values will feel misfit within the party. Until that happens, I anticipate tensions within the Awami League, as the historical experiences of the Muslims of this region will forbid many members and sympathizers of Awami League to comply with its pro-India and pro-Hindu leanings. Beyond the rim of the internal politics of Awami League, Bangladesh is at a crossroads, as despite all protestations of politicians it now struggles to remain an independent country in the true sense of the term.

http://humanrightsinbangladesh.com/11.php

Freedom of expression in Bangladesh : the case of Abu Karim

Shimul Chaudhury

On all such occasions when the Muslims around the world were shocked and thunderstruck for the psychological devastation those vicious attacks wreaked on their beloved religion and Prophet, secular pro-AwamiLeague intellectuals in the Muslim-majority Bangladesh tried to show their defiance by raising their voice in favour of the ‘freedom of expression’ of the writers like Salman Rushdie and Taslima Nasrin.

They did the campaign for Salman Rushdie and the Danish cartoons in a sotto voce fashion, as Rushdie’s affront against Islam and its prophet was too obvious and the escalated grievances over the Danish cartoons too heavy, and as the public sentiment of the Muslim-majority Bangladesh too wounded. But when Taslima Nasrin’s Lajja was banned, many left-leaning and pro-AwamiLeague intellectuals of Bangladesh took to the streets and shouted slogans against the then BNP government. They generally ignore the religious feeling of the majority and use the catchphrase of ‘freedom of expression’ to defend Salman Rushdie or Taslima Nasrin, when most of the people feel their religion is being targeted and their faith taunted.

For example, a young pro-Awami teacher of Dhaka University branded BNP as “a usual ally of the fundamentalists” in his article “Under the gaze of the sate: policing literature and the case of Taslima Nasrin” in which the writer promotes Taslima Nasrin’s putative bravery to hurt the feelings of the Muslims of her country, and vehemently criticises BNP for banning her offensive book Lajja. No wonder that such writings are published in the West, as many Western publishers maintain a particular fascination for such kind of writings though they have little room for the ‘other’ view.

But recently Awami League came back to power, Sheikh Hasina became Bangladesh’s Prime Minister and a poet had to lose his highly-prestigious government job for practicing ‘freedom of expression’. He was one of the top-most civil servants of the Government of Bangladesh and most talented secretary to the Ministry of Information. ATM Fazlul Karim alias Abu Karim was force-retired from his post of information secretary for writing a poetry book titled Baganey Phutey Achhey Oshonkho Golap (Innumerable Roses Have Blossomed in the Garden) in February 2006. In his poetry, the poet uses some fictitious names and satirises Sheikh Mujibur Rahman and some his family members in the same manner as many Western writers do with regard to their living and dead political leaders.

After Awami League came to power after the general elections of 29 December 2008, Abu Karim was sent on compulsory retirement on 23 February 2009. The Suchipatra Prokashona, the publisher of his book, is now under a perceived threat of closure, which will mean job losses of a number of people working for the publishing house. Under the circumstances, one can easily imagine the fear and intimidation under which Sayeed Bari, proprietor of the Suchipatra Prorkashana, is passing his days. Both Sayeed Bari and I myself know that dozens of people have been lynched and killed by Awami activists since the party won the last general election few months ago. For the same reason, no wonder, I am using a pseudonym to write this humble essay.

Awami bigwigs and intellectuals for the time being remained forgetful about the catchphrase ‘freedom of expression’ and used a not-previously-known Awami leader Hazrat Moulana Mohammad Elias Hossain Bin Helali, the president of Bangladesh Awami Olama League Central Committee, to file a case against Abu Karim with the Chief Metropolitan Magistrate's Court in Dhaka on 22 February 2009. Again on 5 March 2009, Moulana Mohammad Ismail Hossain, President of Bangladesh Olama League, filed another case with the same court against Abu Karim and Sayeed Bari, the proprietor of Suchipatra.

This time, the streets of Dhaka have not had the privilege of experiencing any pro- freedom of expression demonstrations. Nor did they have the touch of the feet of the many Dhaka University professors who were quite active and loud while promoting the case of Taslima Nasrin. In previous cases, the target of the ‘freedom of expression’ was the prophet of Islam; hence, that ‘freedom’ had to be maintained and promoted! This time, the target is Sheikh Mujibur Rahman; hence, the ‘freedom of expression’ should be stopped and punished! Such double standard is not surprising in a country like Bangladesh where ‘intellectuals’ are mesmerised by the ‘glamour’ of rebuking their religion (Islam) with the hope that such a stance may earn them Western approval of their academic standing and secular orientation.

Lastly, it is interesting to note that Awami League used two ‘Moulanas’ (Islamic clerics) – not any secular intellectuals – to file the cases against Abu Karim and Sayeed Bari. Such a strategy serves another purpose: it is always the madrasah-educated religious obscurantists who are against the freedom of expression and go to the court to stop a poet! By using the apparently Islamic clerics like Hazrat Moulana Mohammad Elias Hossain Bin Helali and Moulana Mohammad Ismail Hossain, they want to reinforce the supposed association between Islam and the absence of freedom of expression. Or shall we believe that the secular intellectuals in the rank and file of Awami League did not bother to file any case against Abu Karim and Sayeed Bari? Was it simply because of these two Moulanas that Abu Karim lost his important government job? If not, why these two Moulanas?

http://humanrightsinbangladesh.com/7.php