Tuesday, 29 May 2012

তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদল সভাপতি রাজের দুই পা ভেঙে দিয়েছে পুলিশ বিশেষ প্রতিনিধি
তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেয়ার পরও পুলিশ আবার রিমান্ডে নিতে চাইছে। হরতালের গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় গত ২১ মে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পরই তার ওপর চালানো হয় নির্মম নির্যাতন। তেজগাঁও থানা ভবনে দোতলায় একটি কক্ষে ঝুলিয়ে লোহার পাইপ দিয়ে তাকে পিটায় পুলিশ। ভেঙে দেয়া হয় তার দুই পা। থানা থেকে তাকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে তার দুই পা ক্ষত স্থানে প্লাস্টার করা হয়। পা প্লাস্টারের পর ২২ মে হাজির করা হয় সিএমএম আদালতে। চাওয়া হয় রিমান্ড। তার পক্ষের আইনজীবীরা জানান, এরই মধ্যে তার দুই পা ভেঙে দিয়েছে পুলিশ। রিমান্ডে দিলে জীবনও বিপন্ন হতে পারে। সেদিন রিমান্ড না দিয়ে তাকে জেল হেফাজতে চিকিত্সার নির্দেশ দেয় ম্যাজিস্ট্রেট। একই সঙ্গে ২৭ মে রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়। রিমান্ড শুনানির ধার্য তারিখে গতকালও তাকে কারাগার থেকে আনা হয় সিএমএম আদালতে। দুই পা এখন প্লাস্টার করা অবস্থায়ই রয়েছে। গত রোববার রিমান্ড শুনানির সময় তার অবস্থা আবারও তুলে ধরেন আইনজীবী মো. নিহার হোসেন ফারুক। ম্যাজিস্ট্রেট এরফান উল্লাহ আসামি মিজানুর রহমান রাজকে নিজের খাস কামরায় নিয়ে যান। সেখানে তার দুই পা প্লাস্টার খুলে দেখেন ম্যাজিস্ট্রেট। তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করে আবারও জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নাকচ করে দেয়া হয় তার পক্ষে দায়ের করা জামিন আবেদন। উল্লেখ্য, ১৬ মে দুপুরে ঢাকার কারওয়ানবাজার এলাকায় মিরপুরগামী বিহঙ্গ পরিবহনের একটি বাস ভাংচুর ও আগুন দেয়া হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয় তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজকে। বিহঙ্গ পরিবহনের কন্ডাকটর মো. নাদিম বাদী হয়ে সেদিনই মামলাটি দায়ের করে তেজগাঁও থানায়। আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানান, রাজের অবস্থা খুবই খারাপ। দুই পা ভেঙে দেয়ায় হাঁটতে পারছেন না। তারপরও রিমান্ডে নেয়ার জন্য পুলিশ মরিয়া। তিনি বলেন, সময়মত সুচিকিত্সা না হলে তার পা সহজে ভালো হবে না। তিনি বলেন, পুলিশ শুধু পা ভাঙেনি নির্যাতন করেছে পুরো শরীরে। তার পুরো শরীরে রয়েছে নির্যাতনের চিহ্ন। http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/05/29/147277

No comments:

Post a comment